রাজধানীর মিরপুরের ভাসানটেকে বোনকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবক নাসির হোসেন খুনের ঘটনায় অস্ত্রসহ ২জনকে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার সকালে রাজধানীর ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের হাজির করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বাবুল বেপারী (২৮) ও আলতাফ হোসেন (২৯)। তাদের দুইজনকে রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে গাবতলীর বাসষ্টাণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপির (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ভাসানটেক এলাকার গোলটেক থেকে ২টি পিস্তল ও ৬ রাউণ্ড গুলি, ৬টি ম্যাগাজিন ও বোমা সদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল বলেন, এদের সবার নামেই ভাসানটেক থানায় মাদক, অস্ত্র, চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। এলাকায় মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই ও চাঁদাবাজি করতো।এরা বিভিন্ন সময়ে জেলও খেটেছে।

তিনি জানান, ঈদুল আযহার দুই তিন দিন পর ভাসানটেক বস্তিতে ক্যারাম খেলাকে কেন্দ্র করে লাবনীর স্বামী সোহাগের সাথে গ্রেপ্তারকৃত শরীফ আহমেদ চোক্কার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরে তারা প্রায় লাবনীকে রাস্তাঘাটে উত্যক্ত করতো। পরে বিষয়টি লাবনী তার মামাত ভাই নাসিরকে জানালে সে গত ১০ অক্টোবর রাতে চোক্কাকে থাপ্পড় মারে। এতে চোক্কা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রাতেই নাসিরকে মজুমদার মোড় থেকে ডেকে নিয়ে যায় গোলটেক এলাকায়।

সেখানে তার সহযোগী মামুন, বাবুল, আলতাফ ও আলম মিলে তাকে ক্রিকেটের স্টাম্প, জিআইপাইপ ও রড দিয়ে এলোপাতারী মেরে ফেলে চলে যায়।পরে নাসিরকে উদ্ধার করে ঢামেকে ভর্তি করা হরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

মনিরুল আরও জানান, নাসিরকে মারার সময় তাদের কাছে ৫টি অগ্নেয়াস্ত্র ছিল। কিন্তু তারা তা ব্যবহার না করে তাকে পিটিয়ে আহত করে ফেলে রেখে যায়। এ মামলায় বাকী আসামীরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

জেইউ/এএইচ