সারা দেশে ৬৪ জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬৫ হাজার। চলতি বছরের পয়লা জানুয়ারি থেকে আজ সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬৫ হাজার।

গত রোববার বিকালে পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু ১৬৯ জনের মৃত্যুর তথ্য পেয়েছে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন। পরে সন্ধা নাগাত ঢাকার বাইরে আরও ২ জন মারা যায়।

তবে এখনো নাগরিকদের মাঝে ধরা দেয়নি কাঙ্ক্ষিত সচেতনতা। চিরুনি অভিযান, বিজ্ঞাপন, প্রচারণা চালিয়ে গেলেও মিলছে না শতভাগ সুফল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অবস্থায় জনসচেতনতা বাড়াতে দরকার বৈজ্ঞানিক পন্থা।

এদিকে, জনসচেতনতার ঘাটতির কথা মেনে নিয়ে ঢাকা উত্তরের মেয়র বলছেন, শিগগিরই আরো বড় পরিসরে চালানো হবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম।

ঢাকাসহ সারা দেশেই চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা যখন ৬৪ হাজার ৭৬৫, ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো হাসপাতালের বিছানা কিংবা মেঝেতে ডেঙ্গুর সাথে লড়াই করছে রোগীরা।

ঠিক এই অবস্থায়ও দুই সিটি করপোরেশনের অভিযানে আবাসিক, বাণিজ্যিক কিংবা নির্মাণাধীন ভবনে হরহামেশাই মিলছে এডিসের লার্ভা। এতেই বোঝা যায়, এখনো কাঙ্ক্ষিত সচেতনতা থেকে অনেক দূরে নগরবাসী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে প্রত্যাশিত সচেতনতা গড়ে তুলতে প্রয়োজন ভিন্ন পন্থা।

এদিকে, ঢাকা উত্তরের মেয়র বলছেন, অনেকটাই সুফল আসছে চিরুনি অভিযানে। তবে আরো কার্যকরী পদক্ষেপের কথা ভাবছে সিটি করপোরেশন। এখন পর্যন্ত চিরুনি অভিযানে প্রায় ১০ হাজার বাড়িতে অভিযান চালায় উত্তর সিটি করপোরেশন।

সচেতনতা, এই শব্দটাই যেন এখনও আঁধারে ঢাকা। অভিজাত এলাকাসহ রাজধানীর নির্মাণাধীন ভবনের প্রতিটিতেই মিলছে এডিসের লার্ভা। নগরবাসীর মধ্যে এখনও আসেনি ডেঙ্গু সচেতনতা।

এএস