নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য জেএমবি প্রায় ৩০০ সদস্য দিয়ে গঠিত হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনটির সদস্যদের কেউ র্যাব-পুলিশের হাতে নিহত হয়েছেন, কেউ কারাগারে আছেন বা কেউ কেউ পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
সংগঠনটিতে বর্তমানে আর মাত্র ২১ জন সদস্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
এ সময় জঙ্গিদের বিভিন্ন সাংগঠনিক চিঠি ও নথিপত্র তুলে ধরেন তিনি। একটি চিঠির সূত্র ধরে তিনি ২১ জন সদস্যের সক্রিয় থাকার বিষয়টি জানান। জেএমবির সাংগঠনিক ওই চিঠিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের 'তাগুত' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে লেখা ছিল, ৬ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ৩৩ জন সদস্য ছিল। বাকিরা 'তাগুত'দের হাতে শহীদ হয়েছে এবং কারাগারে রয়েছে। তাদের ৫টি হ্যান্ডগান, ১টি একে ২২ রাইফেল এবং কিছু সংখ্যক 'আম' রয়েছে। চিঠিতে 'আম' বলতে গ্রেনেডকে বোঝানো হয়েছে।
তবে গত ৮ অক্টোবর র্যাব এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের অভিযানে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও আশুলিয়ায় মোট ১২ জন নিহত হয়েছে। সেখান থেকে ১টি একে ২২ রাইফেল এবং ৫টি হ্যান্ডগান উদ্ধার করা হয়।
বেনজীর আহমেদ বলেন, নব্য জেএমবির সদস্য সংখ্যা এখন মাত্র ২১। এদের মধ্যে দুজন শুরা সদস্য, ১৯ জন মিড লেভেলের। র্যাবের অভিযানে একে ২২ ও হ্যান্ডগানগুলো উদ্ধার হওয়ায় তাদের কাছে বর্তমানে কোনো অস্ত্র নেই। আমাদের চেষ্টা থাকবে তাদের সংখ্যা যেন ২১ থেকে ২২ না হয়।
এমবি





