রাজধানীর মিরপুরের ১৩ নম্বরে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৩ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাত পোনে ১০টার দিকে কলেজের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- শাহজালাল, শবদের আলী, আল-আমিন, আবু সায়ীদ সুমন, বোরহান ‍উদ্দিন, সুদীপ দত্ত, শুভ, মওদুদ আহমেদ, রাহুল, মোহতাসীন, লিমন ও শফিউল। তাদের সবার বয়স ২০ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে।

আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, কলেজ ক্যাম্পাসে বেশ কয়েকদিন যাবত বহিরাগত ছেলেরা খেলতে আসে। এতে কলেজের নানা সমস্যা হয়। হোস্টেলের জানালার গ্লাস ভেঙে ফেলে, চুরি হয়। অনেকবার কর্তৃপক্ষকে বলা সত্ত্বেও তা বন্ধ হচ্ছে না। তাই আজকে (বৃহস্পতিবার) তারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে বাইরের লোকজনকে খেলতে বাধা দেয়। এরপর এক ছাত্র বাইরে গেলে বহিরাগতরা ওই ছাত্রকে মারধর করে। এর প্রতিবাদে কলেজের সামনের রাস্তায় শিক্ষার্থীরা অবরোধ শুরু করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে এসে তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বলে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা অনড় থাকলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে। এতে ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। তাদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাফরুল থানার ডিউটি অফিসার মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী জানান, রাস্তা অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বলা হলেও তারা সরে না গিয়ে উল্টো পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়ে হামলা করে। পরে পুলিশ বাধ্য হয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিতে টিয়ারশেল ছুড়ে। এতে কয়েকজন ছাত্র সামান্য আহত হয়ে থাকতে পারে।

এএইচ