চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নগর পুলিশের কমিশনার মোহা.আবদুল জলিল মণ্ডল বলেছেন, মূল হোতাদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। মদদদাতাদের ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার সকাল নয়টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। এ সময় অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশের কমিশনার শিক্ষকদের দায়ি করে বলেন, কলেজের শ্রেণিকক্ষ ও ছাত্রাবাসে অস্ত্র মজুদ রাখার বিষয়টি শিক্ষকদের অজানা কিছু নয়। অস্ত্র মজুদের ঘটনায় শিক্ষকরাও জড়িত। শিক্ষকদের মদদ না থাকলে শিক্ষার্থীরা এ ধরণের কাজ করতে পারে না।
চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসনি কলেজকে মিনি ক্যান্টনমেন্ট উল্লেখ করে সিএমপি কমিশনার বলেন, জামায়াত -শিবির নাশকতার জন্য সরকারি দুই কলেজে অস্ত্রের ক্যান্টনমেন্ট তৈরী করেছে। তাদের কাছ থেকে রকেট প্লেয়ার উদ্ধার করা হয়েছে। যা সেনাবাহিনীর কাছে থাকে। কিজন্য তারা এসব অস্ত্র মজুদ করবে?
এর আগে মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৭২ জনকে আটক করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় তাদরে কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করে।
পুলিশের দাবি অস্ত্রগুলো মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছিল। অভিযানে একটি একে-২২, একটি থ্রি নট থ্রি, তিনটি পিস্তল, তিনটি সিঙ্গেল ব্যারেল বন্দুক, একটি দো-নলা বন্দুক, পাঁচটি রকেট ফ্লেয়ার, ৬১ রাউন্ড কার্তুজ ও ২৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এএইচ





