এক দিকে কোমেনের প্রভাব অন্যদিকে কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ আর জোয়ারের পানিতে ভোলার অন্তত অর্ধশতাধিক গ্রামের লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

প্রবল জোয়ারের চাপে ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে পড়ায় অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে খোলা আকাশের নিচে। পানিতে ভেসে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। বসত-বাড়ি, রাস্তাঘাট, স্কুলসহ গুরুপ্তপূর্ন স্থাপনা পানির নিচে রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন মানুষ।
কেউ কেউ আবার ঘরের মাচায় কোন রকম দিন কাটাচ্ছেন।

ঘর-ভীটা হারিয়ে নতুন ঠিকানা খুজঁছেন তারা। বেকার হয়ে পড়েছেন প্রয় সকল মানুষ। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকটের পাশাপাশি দেখা দিয়ে ডায়রিয়াসহ পানি বাহিত রোগ। মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এলাকা গুলোতে।

জেলার মধ্যে সবচাইতে ভয়াবহ অবস্থা দৌলতখান উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের। সেখানে পুরাতন একটি রিং বাধ ছুটে অন্তত ৫ শত পরিবারের ২/৩ হাজার মানুষ অবর্ণনীয় দুর্ভোগে রয়েছে। জোয়ার এলেই স্কুল, কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে।

এদিকে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আবার শুরু হয়েছে ভারি বর্ষন। তার সাথে উজান থেকে ধেয়ে আসা পানির তোরে ও পূর্নিমার জোয়ারের প্রভাবে তিন দিকে মেঘনা তেতুঁলিয়া আর দক্ষিনে বেষ্টিত উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার সদর উপজেলাসহ, দৌলতখান, মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রামের লাখো মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে।

বেড়ি বাধের বাইরে সকাল বিকাল ২ বেলা জোয়ার এলেই কয়েক ফুট পানিতে তলিয়ে গিয়ে ভাসছে এখানকার মানুষ।

এআই