গাইবান্ধায় প্লাস্টিকের চাল বিক্রির অভিযোগে বিভিন্ন চালের দোকানে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

আজ (০৪ ফেব্রুয়ারি) সোমবার একজন গ্রাহকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গাইবান্ধা শহরের নুতন বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযান পরিচালিত হয়।  

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গাইবান্ধা শহরের মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা রনি মিয়া গতকাল(রোববার) বিকেলে শহরের নতুন বাজারের রুবান দেওয়ানের দোকান থেকে ৬ কেজি চাল কেনেন। এসব চাল বাড়িতে নিয়ে ভাত রান্নার পর খেতে অন্যরকম লাগে। এতে ভাতের চাল নিয়ে তার সন্দেহ হয়। পরে আজ (সোমবার) সকালে এই চাল ভাজতে গেলে দেখা যায়, কড়াইতে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে চাল পুড়ে গলে যায়।

একপর্যায়ে দেখা যায়, আগুনের তাপে সব চাল গলে জমাট বেঁধে বল আকৃতির হয়ে যায়। এরপর রনি মিয়া এইসব চাল নিয়ে সদর থানায় উপস্থিত হন। বিষয়টি পুলিশকে জানালে প্লাস্টিকের চাল বলে নিশ্চিত হয়।  

গাইবান্ধার সদর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার জানান, শহরের নুতুন বাজার থেকে একজন গ্রাহক চাল কিনে তা প্লাষ্টিকের চাল বলে থানায় অভিযোগ করে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়ের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ টিম গঠন করে শহরের নুতুন বাজারের দোকানগুলোতে অভিযান চালায়। এসময় প্লাস্টিকের চাল সাদৃশ্য ২ বস্তা জব্দ করা হয়।  

এছাড়া শহরের ডিবি রোডসহ আরও কয়েকটি চালের দোকানে অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ টিমে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মাছুম আলীও উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উত্তম কুমার রায় বলেন, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে উদ্ধারকৃত এইসব চাল প্লাস্টিকের। এরপরও উদ্ধারকৃত চালের মধ্যে ১৫ কেজি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এই বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।  

রুবেল/এমবি