তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে গুলি, ভোট বর্জন, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। চেয়ারম্যান পদে ১৪ ইউনিয়নের ১১ টিতে আওয়ামী লীগ, একটিতে বিএনপি এবং দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
গতকাল শনিবার গভীর রাতে রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.রেজাউল করিম বেসরকারীভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, দাঁতমারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২০ হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জানে আলম (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি প্রার্থী ইদ্রিচ মিয়া (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২১৩২ ভোট।
পাইন্দং ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ হাজার ৩৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এ কে এম সরোয়ার হোসেন (ধানের শীষ)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুল বশর নবী (আনারস) পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৫ ভোট।
হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬ হাজার ৫৯২ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল হোসেন চৌধুরী(আনারস)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ প্রার্থী জুলফিকার আলী (নৌকা) পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫৫ ভোট।
রোসাংগিরী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সোয়েব আল ছালেহীন (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি প্রার্থী সাইফুদ্দিন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬০০ ভোট।
নারায়নহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৮ হাজার ৫৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী হারুনুর রশিদ (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু জাফর মাহমুদ (ঘোড়া) পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৬৮ ভোট।
সুন্দরপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো.শাহনেওয়াজ (নৌকা) ৩ হাজার ৫৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি প্রার্থী শহিদুল আজম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩১৯ ভোট।
বখতপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার ৫৩৩ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সোলায়মান (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩২৮ ভোট।
কাঞ্চননগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বতন্ত্র প্রার্থী রশিদ উদ্দিন চৌধুরী কাতেব (আনারস) ৭ হাজার ৫৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ প্রার্থী দিদারুল আলম (নৌকা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৩ ভোট।
জাফতনগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল হালিম (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. লোকমান (আনারস) পেয়েছেন ৩৪৬ ভোট।
আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ১ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী হোসেন আলী তালুকদার (নৌকা)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী তাপস বড়ুয়া (আনারস) পেয়েছেন ১ হাজার ৪২ ভোট।
এছাড়া ১নং বাগান বাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. রুস্তম আলী, ১৩নং লেলাং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন, ১৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম, ১৯নং সমিতিরহাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. হারুন অর রশীদ কালু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।





