দেশের একমাত্র সরকারি এয়ারলাইন্স ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’-এর বহরে আরো দুটি বোয়িং বিমান যোগ হচ্ছে শিগগির। এ জন্য চড়া সুদে ২৪০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ আবেদনে অনুমতি দিয়েছে সরকারের ঋণ সংক্রান্ত কমিটি।

অর্থমন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বুধবার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে বৈঠকে ঋণ আবেদনের অনুমোদন দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। বৈঠকে কমিটির সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

২০০৮ সালে ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে প্রথমে আটটি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে চারটি বোয়িং-৭৭৭-৩০০ ইআর ও চারটি বোয়িং-৭৮৭-৮ (ড্রিমলাইনার) উড়োজাহাজ। পরবর্তী সময় বোয়িং-৭৩৭-৮০০ মডেলের আরও দুটি উড়োজাহাজের ক্রয়াদেশ দেয় বিমান। ২০১১ সালের মার্চে বিমানের সঙ্গে বোয়িংয়ের প্রাথমিক চুক্তি হয়। একই বছর ২২ এপ্রিল বোয়িংয়ের সঙ্গে ১০টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের চুক্তি চূড়ান্ত করে বিমান। ইতোমধ্যে ৬টি উড়োজাহাজ বিমানের বহরে যোগ হয়েছে। চলতি মাসেই একটি এবং আগামী ডিসেম্বরে আরো একটি উড়োজাহাজ আসার কথা। অবশিষ্ট দুটোর মধ্যে একটি ২০১৮ সালে এবং অপরটি ২০১৯ সালে বিমানের বহরে যোগ হবে।

বৈঠকে একটি উড়োজাহাজের জন্য ১০৪ মিলিয়ন ডলার এবং অপরটির জন্য ১৩৬ মিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বিদেশি এক্সিম ব্যাংক থেকে এ ঋণ নেওয়া হচ্ছে। সরকার ঋণের জামিনদার হিসেবে এ অনুমোদন দিয়েছে। এক শতাংশ হার সুদে ঋণ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এমআর