রমনা পার্কে শুক্রবার ‘বাংলাদেশ উৎসব’ নামে দিনব্যাপী একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলালিংক মোবাইল কোম্পানি।
এই পার্কের চরিত্র বা সৌন্দর্য বিনষ্টকারী এ ধরনের অনুষ্ঠান বেআইনী। আইন অমান্য করে পার্কের ভিতরে এই অনুষ্ঠান বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির হল রুমে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল মতিন এ দাবি জানান।
আইন অমান্য করে রমনা পার্কের ভিতরে ‘বাংলাদেশ উৎসব’ আয়োজনের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাপা, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, তরুপল্লব, ক্যাম্পেইন ফর ডেভেলপমেন্টসহ আটটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
আব্দুল মতিন বলেন, বিগত বছরেও এ ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। এবারও এ উৎসবের জন্য ইতোমধ্যে প্যান্ডেল তৈরীসহ নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এ ধরনের অনু্ষ্ঠান এখানে প্রতিবছর করতে দেয়া হলে ভবিষ্যতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এ ব্যাপারে আগ্রহ দেখাবে। ঢাকাবাসীর জন্য এটি কোনো ভাবেই কাম্য নয়।
তিনি বলেন, মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সকল পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উন্মুক্তস্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০ অনুসারে পার্কের ভিতরে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা বেআইনী।
তিনি আরও বলেন, আমরা উৎসবের বিপক্ষে নয়। কিন্তু এ উৎসব আয়োজনের আরও অনেক জায়গা ঢাকা শহরে রয়েছে সেখানে এ ধরনের উৎসব আয়োজন করা যেতে পারে।
নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বলেন, রমনা পার্ক ঢাকা শহরের অক্সিজেন ভান্ডার। গ্রীষ্মকালে ঢাকা শহরের সবখানে যখন তাপমাত্রা উষ্ণ থাকে তখন শুধু মানুষ নয় পশু পাখিও এখানে আশ্রয় নেয়।
এখানে 'বাংলাদেশ উৎসবে'র আয়োজন করা হলে পার্কের সার্বিক অবস্থার চিত্র পাল্টে যেতে পারে।
এ সময় ক্যাম্পেইন ফর ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালনক মসিউর রহমান রুবেল, নিরাপদ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ বান্না, বাপার যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, ইনিসিয়েটিভ ফর পিসের মহাসচিব ইফমা হোসাইন তরুপল্লবের সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ





