আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা শহরে আওয়ামীলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার রাতে শহরের শালবাগান এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দু’পক্ষের মধ্যে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষ্যের অন্তত ৬ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। গুরতর আহত অবস্থায় ৪ জনকে চট্টগাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে দুই জনকে।
আহতরা হলেন শালবাগানের নুরুল ইসলামের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৩৫), জিন্নাত আলীর ছেলে খায়রুল ইসলাম (১৪), ফরিদ মিয়ার ছেলে রনি (১৮) ও আবদুল গণির ছেলে মোসলেম উদ্দিন, জোসনা বেগম (৩৫) ও সাফিয়া বেগম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলমের অনুসারীদের মাঝে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষ্যের ৬ নেতা-কর্মী আহত হয়।
এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের দু' গ্রুপ একে অন্যকে দায়ী করছে।খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র মো: রফিকুল আলম বলেন, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপির উস্কানিতে আমাদের নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। পুলিশ সন্ত্রাসীদের না ধরে উল্টা আমাদের দুই কর্মীকে আটক করেছে।
অপরদিকে এই ঘটনায় জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপির অনুসারী জেলা যুবলীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা জানান, মেয়র রফিকুল আলমের সন্ত্রাসীরা সন্ধ্যা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর ধারালো অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়।
এতে দুই নারীসহ তিনজন আহত হয়েছে। তিনি আরো বলেন পুলিশের ছত্রছায়ায় খাগড়াছড়িতে মেয়র বাহিনীর সন্ত্রাসীরা একের পর এক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই সংঘর্ষ সূত্রপাত হয়। যে কোন অপ্রিতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে।
আবু বকর/ মাহমুদ





