চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার চৌধুরীপাড়ার প্রেমতলা এলাকার 'ছায়ানীড়' বাড়িতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ৪ জঙ্গি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ২ পুলিশ সদস্য আহত হয়।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টার দিকে অভিযান শুরু হয়। ঢাকার সোয়াত টিমের সঙ্গে অভিযানে অংশ নিচ্ছে চট্টগ্রামের সোয়াত, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় সোয়াট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ২ সদস্য আহত হন। এছড়াও ৯টার পর একে একে ৪টি গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটে।
ইতোমধ্যে জঙ্গি আস্তানা থেকে জিম্মি হওয়া ৫ পরিবারের ২০ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে নিরাপত্তার কারণে গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ লোকজনকে ওই জঙ্গি আস্তানার ৩০০ গজেরও বেশি দূরে থাকতে বলা হয়েছে। তবে সকাল ৭টার দিকে ওই বাড়ি থেকে কিছুক্ষণ পর গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।
এর আগে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের প্রেমতলায় জঙ্গি আস্তানায় ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সোয়াত টিমের নেতৃত্বে শুরু হওয়া অভিযানে চার জঙ্গি নিহত হয়েছে। তার মধ্যে একজন নারী। আর নিহতদের মধ্যে এক জঙ্গি আত্মঘাতী হামলা চালিয়েছিল। টাইমনিউজবিডিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকার কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের এডিসি ছানোয়ার হোসেন।
বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে ছায়ানীড় বাড়িতে জঙ্গিদের আস্তানায় সোয়াতের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়। অভিযানে তাদের সঙ্গে অংশ নিচ্ছে চট্টগ্রামের সোয়াত, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।
অভিযান শুরুর পর সোয়াত সদস্যদের লক্ষ্য করে আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় সোয়াতের দুই সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সোয়াতের একজন সদস্য জানিয়েছেন, জঙ্গিরা শেষ মুহূর্তে গ্রেনেড নিয়ে সোয়াতের সদস্যদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিকট শব্দে গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। গ্রেনেডগুলি অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল।
এমএনজে





