আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ৮১ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী ইজতেমা বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের আমির শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ রশীদুর রহমান ফারুক বর্ণভী (পীর সাহেব বরুণা) বলেন, খলীফায়ে মাদানী আল্লামা লুৎফুর রহমান বর্ণভী রহ. ১৯৪৪ ইং সনে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আঞ্জুমান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি হযরত মাদানী রহ.-এর নির্দেশনা, থানভী রহ.-এর অনুমোদন, সমকালীন বুযুর্গ উলামাদের সমর্থন, বিশেষ করে আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী রহ. ও ফখরে বাঙ্গাল আল্লামা তাজুল ইসলাম রহ.-এর উদারতাপূর্ণ বিশেষ সহযোগিতা লাভ করেছিলেন। আট দশকেরও বেশি সময় ধরে আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বৃহত্তর সিলেট সহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে মুসলিম জনসাধারণের ধর্মীয়, নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নয়ন সাধনে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দুর্যোগ ও দুঃসময়ে আর্তমানবতার সেবায় সংগঠনটির উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম রয়েছে। তিনি আগামী ৩০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় আজিমুশ্বান ইজতেমা বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আঞ্জুমান ঢাকা মহানগরের আমির মুফতি সাইফুল ইসলাম ফারুকীর সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সভাপতি মুফতি ওয়াজেদ আলীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, শায়েখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, দেওভোগ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, দিলুরোড মাদরাসার মুহতামিম মুফতি সালাহ উদ্দিন, যাদুরচর মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আলী আকবর কাসেমী, মাওলানা আব্দুল লতিফ ফারুকী।

এমএম