জিএসপি কর্মপরিকল্পনা ও ক্রেতাদের উদ্যোগ ‘সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট’-এ দেওয়া বাকি শর্ত পূরণে বাংলাদেশ যদি সত্যিকার অগ্রগতি দেখাতে পারে, তবে জিএসপি ফিরে পাবে। চলতি বছরের মার্চ মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে এই অগ্রগতি অর্জন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর ঢাকায় কর্মরত যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিকেরা এ অভিমত দেন। তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মপরিবেশের লক্ষ্যে সরকারের তিনটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পাঁচ রাষ্ট্রদূতের নিয়মিত সমন্বয় সভার পর তাঁরা সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে এমন অভিমত দেন।
জিএসপি কর্মপরিকল্পনা ও ক্রেতাদের উদ্যোগ ‘সাসটেইনেবিলিটি কমপ্যাক্ট’-এর লক্ষ্য হলো শ্রমমানের উন্নয়ন ও কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
কানাডার হাইকমিশনার হিদার ত্রুদ্ধডেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মাহবুব আহমেদ, শ্রমসচিব মিকাইল শিপার, পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম আনা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত গারবেন ডি ইয়াং অংশ নেন।
গত বছর রানা প্লাজা ধসের পর কর্মপরিবেশের উন্নয়নে বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতির লক্ষ্যে নিয়মিত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে ড্যান মজীনা সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা (জিএসপি) ফিরে পেতে হলে কর্মপরিকল্পনায় দেওয়া শর্তগুলো পূরণ করতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম আনা বলেন, এখন পর্যন্ত কিছু অগ্রগতি হয়েছে, তবে পরিস্থিতির উন্নয়নে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে।
এদিকে পররাষ্ট্র দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী এপ্রিলে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) ও পররাষ্ট্র দপ্তরের সমন্বয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশের শ্রম পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসছে। তাদের রিপোর্টের ওপর মে মাসে অনুষ্ঠিত পরবর্তী শুনানিতে বাংলাদেশ জিএসপি ফিরে পাবে কিনা তা নির্ভর করছে।
[b]ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি (টাইম নিউজবিডি.কম)// টিআই [/b]





