ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসক-কর্মচারী সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ দিনের জন্য এ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
হাসপাতালের পরিচালক ক্যাপ্টেন (অব.) এম এ সালাম টাইম নিউজকে জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ৯ মার্চ পর্যন্ত কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এ ছাড়া শনিবারের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ, হাসপাতালের পরিচালক, উপ-পরিচালক ও গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে একটি ‘উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি’ এবং কলেজের শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘অনুসন্ধানী কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। উভয় কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার শিক্ষানবিশ ডাক্তার ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করলে কার্যত অচল হয়ে পড়ে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। পরে উভয়পক্ষের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকে বসে কর্তৃপক্ষ।
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের পর কর্মবিরতি স্থগিত করে রবিবার সন্ধ্যা থেকেই কাজে ফিরেছে কর্মচারীরা। এ ব্যাপারে কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোত্তালেব হোসেন বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের নিশ্চিয়তা পেয়ে এবং রোগীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আমরা কাজে ফিরেছি। তবে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা খুবই কম। যারা আছেন তাদের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ছাড়াও কাজে ফেরায় শিক্ষানবিশ ডাক্তারা কর্মচারীদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
এদিকে কলেজে ভাঙচুর করার দায়ে শিক্ষানবিশ ডাক্তারদের ৪০তম ব্যাচকে হাসপাতালে যোগ দিতে নিষেধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে শিক্ষানবিশ ডা. মুনতাসিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বারবার বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। রাতে জরুরি বৈঠকে শিক্ষানবিশ ডাক্তাররা তাদের সিদ্ধান্ত নিবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গ, শনিবার পূর্ব ঘটনার জের ধরে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ ডাক্তার ও কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় অর্ধশত ডাক্তার-কর্মচারী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় রবিবার সকাল থেকেই উভয় পক্ষ কর্মবিরতি ঘোষণা করে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে।
[b]ঢাকা,৩মার্চ,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]
জাতীয়
চিকিৎসক-কর্মচারী সংঘর্ষে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ বন্ধ
ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষানবিশ চিকিৎসক-কর্মচারী সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ দিনের জন্য এ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক ক্যাপ্টেন (অব.) এম এ সালাম টাইম নিউজকে জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলেজ কর্তৃপক্ষ ৯ মার্চ





