সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পদ্মা নদীর চিরায়ত রূপ অনুযায়ী বর্ষার শুরুতে আকস্মিক ভাঙন দেখা দিলেও পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর নির্মাণকাজ কোনো ভাবেই বাধাগ্রস্ত হবে না। ভাঙন দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা রোধে জিও ব্যাগ (বালির বস্তা) ফেলে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে ২০ হাজার বস্তা ফেলা হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে আরও প্রায় পাঁচ লাখ বালির বস্তা ফেলা হবে।’
মুন্সীগঞ্জ লৌহজং উপজেলার মাওয়া কুমারভোগ এলাকায় বুধবার দুপুরে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকসন ইয়ার্ডের আকস্মিক ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে এ সব কথা বেলন মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এখন পরীক্ষামূলকভাবে সেতুর পাইলিং স্থাপনের কাজ চলছে। চলতি বছরের অক্টোবরে মূল পাইলিং স্থাপনের কাজ শুরু হবে।’
২০১৮ সালের মধ্যেই সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আবারও আশা প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।
নদীর ভাঙন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এই ভাঙন সাময়িক। বড় কোনো ভাঙনের আশঙ্কা নেই।’
মন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজের প্রধান বিশেষজ্ঞ রবার্ট এভস ও পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাত থেকে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকসন ইয়ার্ডে আকস্মিক ভাঙন দেখা দেয়। কয়েক দফা ভাঙনে প্রায় এক হাজার ফিট এলাকা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে ভাঙন হুমকিতে রয়েছে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকসন ইয়ার্ড।
জেআই





