পরীক্ষার জন্য বৃক্ষমানব আবুল বাজনদারের রক্ত, টিস্যু ও মুখের লালা আমেরিকার একটি হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
বুধবার রাতে ওয়ার্ল্ড কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এসব পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল বার্ন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা: সামন্ত লাল সেন জানান, আজ দুপুরে গাছমানব আবুল বাজনদারের রক্ত, টিস্যু ও মুখেল লালা সংরক্ষণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার মা আমেনা বেগমের রক্তও সংরক্ষণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, আবুল বাজনদারের রক্ত, টিস্যু ও মুখের লালা এবং তার মায়ের রক্ত পরীক্ষার জন্য আমেরিকার লঞ্জ এঞ্জেলের নরিস কম্প্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টার (Norris comprehensive canser center) এর চিকিৎসক মার্টিন কাস্টের নিকট পাঠানো হচ্ছে।
তিনি জানান, ওই চিকিৎসকের সঙ্গে ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে। তার চাহিদা অনুযায়ি এসব পাঠানো হচ্ছে।
গাছমানব আবুল বাজনদারের এই অবস্থা একদিনে হয়নি। সেই শুরু ২০০৫ সালে। তখন তার বয়স ১৫ বছর। ওই বছর খুলনায় বৃষ্টিতে চারদিকে ডুবে যায়। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় চারদিকে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। সেই থৈ থৈ পানির মধ্যে ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতো আবুল বাজনদার।
এক সময় তার হাতে-পায়ে আঁচিলের মতো দেখা দেয়। সেই আচিল ১০ বছরে ধীরে ধীরে আজ শিকড়ের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খুলনার পাইকগাছার আবুল বাজনদারের ছবি ছড়িয়ে পড়লে তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট প্রধান অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন। বর্তমানে আবুল তার অধীনে চিকিৎসাধীন।
খুলনা জেলার পাইকগাছা পৌর সদরের ৫নং ওয়ার্ড সরল গ্রামের বাসস্ট্যান্ডের পাশে ছোট্ট কুঁড়েঘরে মানিক বাজনদার তার স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে বসবাস করেন। তারা তিনজনই অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত।
এমকে





