জয়পুরহাট সদর উপজেলার চৌমুহনী বাজারে গ্রেফতারকৃত জামায়াত নেতাকে ডিবি পুলিশের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় জামায়াত-শিবির নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করতে ঐ এলাকায় ব্যাপক অভিযান চলছে।
অপরদিকে এঘটনায় দুইশতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এঘটনায় জয়পুরহাট সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের মিতনা গ্রামের নজরুল ইসলাম, রিপন, মারুফ, ও বাঁশখুর গ্রামের আহসান হাবীব নামে ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এছাড়াও শনিবার রাতে পাঁচবিবি ও আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে নাশকতার মামলায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ১২ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশী অভিযানের সময় নেতাকর্মীদের বাড়ীঘরে আসবাপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুরের অভিযোগ করেছে জামায়াত।
জয়পুরহাট সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় একাধিক মামলার আসামী আমদই ইউনিয়ন শাখা জামায়াতের সাবেক আমীর শাহ্ আলমকে হাঁটুভাঙ্গা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারের পর জয়পুরহাটে নিয়ে আসার পথে চৌমূহনী বাজারে জামায়াত-শিবির কর্মীরা শাহ্ আলমকে বিডি পুলিশের নিকট থেকে ছিনিয়ে নেয়।
এসময় ডিবির ওসি মাহফুজুর রহমানসহ পুলিশের ৪ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় ডিবির ওসি মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে শনিবার রাতে জামায়াত-শিবিরের ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১৫০ থেকে ২০০ নেতা-কর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
শনিবার রাতে পাঁচবিবি ও আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে নাশকতার মামলায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ১২ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশী অভিযানের সময় নেতাকর্মীদের বাড়ীঘরে আসবাপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুরের অভিযোগ করেছে জামায়াত।
জামায়াতের জেলা আমীর ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ মুঠোফোনে জানান- সদর উপজেলার হাটুভাঙ্গা, রহমতপুর, মিতনা ও কুওয়াতপুর গ্রামে ভাংচুর করে। দরজা-জানালা, টেবিল-চেয়ার, চুলা, টিউব ওয়েল, শো-কেসে রক্ষিত জিনিসপত্র ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানার ওসি (তদন্ত) সিরাজুল ইসলাম জানান, এই মামলার আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী চৌমুহনী, হাঁটুভাঙ্গা, মিতনা গ্রামে অভিযান চালাচ্ছে।
এসএইচ





