কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুইদল চোরাকারবারীর মধ্যে বন্দুক যুদ্ধে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।

এদের মধ্যে ইসমাইল (৫৫), মিজান (২৬), নাজির (৪২), আনারুল (২৪), রুবেল (২৫), শওকত (২৫), কিনার (৪৫), লালু (৩৫), ডাবু (৩২) ও পটলকে (৩৫) স্থানীয় চিকিৎসকদের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতংক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী জানায়, মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ ও কৃষকের ছাগল জবাই করে ভূরিভোজ করাকে কেন্দ্র করে রোববার রাত ১০ টার দিকে উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী আরিফ-লালু বাহিনীর সাথে প্রতিপক্ষ সাহাবুল বাহিনীর মধ্যে বন্দুক যুদ্ধবাঁধে।

এসময় উভয় পক্ষের ৩০-৩৫ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা নিক্ষেপ করে। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী বন্দুক যুদ্ধে গুলি, বোমা ও ইটের আঘাতে গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০জন আহত হয়। বাঁকী আহতরা অজ্ঞাত স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানাগেছে।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গা ঢাকা দেয়। বন্দুক যুদ্ধ চলাকালে উভয়পক্ষ অন্তত ১০ রাউন্ড গুলি ও ৫টি বোমার বিষ্ফোরন ঘটিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় সন্ত্রাসী আরিফ-লালু বাহিনীর পক্ষে জামালপুর গ্রামের অপর মাদক ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তবে পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি এনামুল হক জানান, জামালপুর গ্রামে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

ঢাকা, ১সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএইচ