সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে এক ছাত্রীকে মারধর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছে। এতে জড়িত থাকায় দুজনকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।
আজ শুক্রবার বিকেলে ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. রাশেদ তালুকদার বলেন, এক ছাত্রীকে আবাসিক হল থেকে কৌশলে বের করে এনে জোর করে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন দুজন।
পরে আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাঁদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এখন ওই ছাত্রীর জবানবন্দি ও অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা একটার দিকে নৃবিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রীকে হল থেকে কৌশলে ডেকে বের করে আনেন বহিরাগত কাওছার আহমেদ ও তাঁর বোন।
পরে ছাত্রীকে মারধর করে রিকশায় করে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ওই দুজন।
এ সময় গণিত বিভাগের অধ্যাপক সাজেদুল করিম বিষয়টি দেখে ছাত্রীকে মারধরের কারণ জানতে চান। এতে কাওছার ও তাঁর বোন বিষয়টি পারিবারিক এবং এতে অধ্যাপক সাজেদুল করিমকে নাক না গলাতে বলেন।
পরে অধ্যাপক সাজেদুল করিম কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তায় তাঁদের আটক করে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশকে ফোন দেন। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
এরই মধ্যে সেখানে জড়ো হওয়া বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কাওছারকে মারধর করেন। পরে কাওছার, তাঁর বোন এবং মারধরের শিকার ছাত্রীকে জালালাবাদ থানা-পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে কাওছার দাবি করেন, ওই ছাত্রীর সঙ্গে তাঁর তিন বছর থেকে ‘প্রেমের সম্পর্ক’ আছে। সম্প্রতি ওই ছাত্রী আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোয় বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে তাঁর বোনকে সঙ্গে নিয়ে ক্যাম্পাসে আসেন।
সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে মুঠোফোনে জালালাবাদ থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, প্রক্টরসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই মুহূর্তে থানায় রয়েছেন। তাঁদের উপস্থিতিতে ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এখন মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এমবি





