বর্তমান সরকারের অধীনে এবং নির্বাচন কমিশনের সাহায্য চলমান ইউনিয়ন পরিষদ  নির্বাচনকে  স্ক্রিপ্ট , ভিলেন ছাড়া একটি নাটকের রির্হাসেল বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক ( সুজন )। তবে সংগঠনটি বলেন, নির্বাচনে বিরোধী দল না থাকলে এটি উপভোগ্য নাটক হবে কিনা?

বৃহস্পতিবার দুপুরে  ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনয়াতনে আয়োজিত ‘চলমাল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চালচিত্র’ এক সাংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ মন্তব্য করেন।

সংগঠনটি বলেন,  নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ২২, ৩১ মার্চ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত  ১ম, ২য় ও ৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  এবং আগামী ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচন যথাক্রমে অনুষ্ঠিত হবে ৭, ২৮ মে এবং ৪ জুন। প্রথম ধাপের নির্বাচন যেমন নাটকীয় অবস্থায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সামনের তিন ধাপের ‍নির্বাচনগুলোও নাটকীয় ভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশংকা প্রকাশ করছে সংগঠনটি।  এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে এ নির্বাচন নাটকীয় রূপ নিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।  

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন সুজনের কেন্দ্রীয় কমিটির সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের হত্যাকাণ্ড ও ভবিষৎ গণতান্ত্রিক অব্যবস্থা আমাদের দেশের জন্য এটি একটি অসহনীয় সংকেত। যদি সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি ফিরে আনতে হয় সেই জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনা অবশ্যই প্রয়োজন। 

সুজনের সভাপতি হাফিজ উদ্দন বলেন, গণতান্ত্রিক পন্থায় ভালো মানুষ যাছাই-বাছাই করে মন্নোয়ন পত্র দেয়া হয়। আর নির্বাচন মন্নোয়নপত্র দেয়ার  নামে ব্যবসা-বাণিজ্যের মনোভাব পরিহার করতে হবে।

সুজনের জাতীয় কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর বলেন, বর্তমান সরকারের অধীনে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর এর নিরুপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের প্রশ্রয়ে দলীয় ভিত্তিতে অনিয়মের মাধ্যমে মন্নোয়ন প্রার্থী বাছাই করেছে সরকার। সেই জন্য ২০১৯ সালে সংসদ নির্বাচন কি ভাবে সুষ্ঠু ও নিরুপেক্ষ হবে? তবে সার্বিক ভাবে নির্বাচন এ রকমভাবে অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশের ভবিষৎ হবে অন্ধকার। আসলে এটি নাটকের রির্হাসেল ছাড়া কিছুই নয়।

ইআর/এমবি