মাদারীপুরের চরমুগরিয়া বন্দরের গুচ্ছগ্রাম এলাকার সামচু বেপারীর মেয়ে সুলতানা আক্তার (১৬)। আর বরিশালের ভূরঘাটা এলাকার মুকুল হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার। দুজনের মধ্যে ছিল গভীর প্রেমের সম্পর্ক।
গত ৭ অক্টোবর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সুলতানাকে নিয়ে পালিয়ে যান সুজন। কিন্তু ভূরঘাটা গিয়ে পাল্টে যায় সুজনের চেহারা।
বিয়ে না করে সুজন কৌশলে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু এতে বাধা দেয় সুলতানা। ব্যর্থ হয়ে এক পর্যায়ে সুলতানার মুখমণ্ডলসহ বুকের ওপর অ্যাসিড ঢেলে দেয়। এতে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয় সুলতানা।
প্রথমে তাকে কালকিনি হাসপাতালে ও পরে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। হতদরিদ্র ওই পরিবারের পক্ষে উন্নত চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ১৬ দিন পর বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনায় বরিশালের গৌরনদী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলেও কেউ গ্রেফতার হননি।
এ বিষয়ে গৌরনদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম জানান, এ ঘটনায় ৯ অক্টোবর মামলা দায়ের হয়েছে। যাকে আসামি করা হয়েছে সে বাসের হেলাপার। মোবাইল ব্যবহার না করায় তাকে ধরতে অসুবিধা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক। তবে তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জেএ





