কুয়াকাটায় ৭০ বছর বসাবাস করার পরও মিয়ানমার (রোহিঙ্গা) খাতায় নাম উঠায় প্রতিবাদ জানিয়ে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদসম্মেলন করছেন ।এতে উপক’লীয় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের উপকারভোগীদের (ভিলেজার) মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এসময় ১৮ পরিবারের প্রায় অর্ধশত নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জনৈক ভিলেজার আ: আমিন মোল্লা জানান,অনিবন্ধিত মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদেরকে পরিসংখ্যান অফিস অর্ন্তভূক্ত করেছে।

এসময় তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হবার আগে আমার দাদা ও তার ভাইদের কয়েকটি পরিবারকে কক্সবাজারের খুরুশকুল ইউনিয়ন থেকে কুয়াকাটার বনবিভাগের বনায়ন ও জমি দেখভালের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা হয়।আমাদের পরিবারসহ ওই সময় আনা কয়েকটি পরিবারের নামে নির্দিষ্ট পরিমান জমি বরাদ্দ দিয়ে বসবাসের সুযোগ দেয় বনবিভাগ। সেই থেকে আমরা অন্তত ৫০ বছর ধরে কুয়াকাটাতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছি।

আমরা এখানে বহু বছর আগে এখানে এলেও তখনও আমরা বাংলাদেশের নাগরিকই ছিলাম এবং এখনও আছি। কিন্তু কলাপাড়া পরিসসংখ্যান অফিস গত ৪ জুন মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে আমাদের পরিবারগুলোতে শুমারি অন্তর্ভূক্তি স্লিপ প্রদান করলে আমরা হতভাগ হই।

এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা লতাচাপলী ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্মাদক আনসার উদ্দিন মোল্লা’এদিকে কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. শাহআলম সংবাদ সম্মেলন সম্পর্কে বলেন, ‘কোথাও একটা ভুল হয়েছে, আমাদের কাছে আসলে

আমরা সমাধানে উদ্যোগ নেব।’

এআই