বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলালের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমীন দুলাল জানতে চান, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা গণহত্যার শিকার হয়েছেন, তাদের তালিকা প্রণয়নের কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না।

একই সঙ্গে শহিদ পরিবারের সঠিক সংখ্যা ও গণহত্যার একটি নির্ভুল তালিকা প্রকাশের উদ্যোগ রয়েছে কি না, থাকলে তা কবে থেকে শুরু হতে পারে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার এত বছর পরও তাদের একটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। অথচ তাদের এই আত্মত্যাগের বিনিময়েই অর্জিত হয়েছে দেশের স্বাধীনতা।

তিনি বলেন, বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার করেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ওই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন, বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা এবং একটি বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন। সেই কর্মপরিকল্পনার ভিত্তিতেই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে গণহত্যার শিকার ব্যক্তি এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন সম্ভব হবে। পাশাপাশি তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিশ্চিত করা যাবে।

এস