পদ্মায় ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চটির খোঁজে বড় পরিসরে অনুসন্ধান-শুরু হয়েছে। নৌবাহিনীর নেতৃত্বে রাত মঙ্গলবার ১০টা ১০ মিনিটে এ অভিযান শুরু হয়।
অনুসন্ধান-অভিযানে অংশ নিচ্ছে নৌবাহিনীর একটি বড় জাহাজ, বিআইডব্লিউটিএ’র দুটি জাহাজসহ মোট পাঁচটি জাহাজ।
এর আগে দুর্ঘটনাস্থলের ৩ মাইল ব্যাসার্ধে পিনাক-৬ লঞ্চ খুঁজে পায়নি উদ্ধারকারীরা।
নৌবাহিনীর ল্যান্ডস ম্যান শাহিনুর জানান, তারা যেখানে পিনাক ডুবেছিল তার আড়াই থেকে ৩ মাইল ব্যাসার্ধে খোঁজ করেছেন। তবে লঞ্চটির কোন চিহ্ন দেখতে পাননি। তাই ৫ মাইল ব্যাসার্ধে খোঁজ করার পরিকল্পনা নেন নৌবাহিনীর ডুবুরিরা।
নৌ বিশেষজ্ঞ সৈয়দ মনোয়ার হোসেন অবশ্য আগেই বলেছেন, যেখানে লঞ্চটি ডুবেছে সেখান থেকে স্রোতের দিকে কয়েক মাইল দূরে সরে যেতে পারে। ‘ওই স্রোত অঞ্চল মূলত পলির ভাগ বেশি। যদি মেঘনার দিকে লঞ্চটি সরে যায় তাহলে পলি বা বালুমাটিতে ঢেকে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে’।
এদিকে চট্টগ্রাম থেকে রওনা হওয়া অত্যাধুনিক উদ্ধারকারী জাহাজ জরিপ-১০ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রওয়ানা হওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যেই বন্দরে ফিরে গেছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ শনাক্ত করতে বন্দর থেকে দুপুর ১২টায় রওয়ানা হয়েছিল এটি। তবে জরিপ জাহাজটির সঙ্গে থাকা ‘কান্ডারি-২’ নামে অপর একটি উদ্ধারকারী জাহাজ মাওয়ার পথে রয়েছে। ‘জরিপ-১০’ জাহাজটি ফিরে আসার আগেই জাহাজ শনাক্তকরণের সব যন্ত্রপাতি কান্ডারি-২ জাহাজে তুলে দেয়া হয়েছে। ‘কাণ্ডারি-২’ বুধবার দুপুরে মাওয়া পৌঁছার কথা রয়েছে।
বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর এম শাহজাহান জানান, সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় ‘জরিপ-১০’ জাহাজটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজ শনাক্তকরণে ‘সাইড স্ক্যান সোনার’, ‘সাব বটম প্রোপাইলার’ ও ‘গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম’ —এই তিনটি যন্ত্র ‘কান্ডারি-২’ জাহাজে তুলে দেয়া হয়েছে।
ঢাকা, ৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





