টাঙ্গাইলে ৫০ হাজার যৌন উত্তেজক নকল ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

বুধবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: মাসুদ রেজার নেতৃত্বে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১২ সিসিপি-৩ এর একটি দল শহরের বড় পুকুর পাড় এলাকায় এক বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ওষুধ আটক করে।

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে বাসার মালিক রফিকুল ইসলামের ভগ্নিপতি মো: ফিরোজ খানকে গ্রেফতার করা হয়। ফিরোজকে ৭ দিনের জেল ও ২ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

টাঙ্গাইল, র‌্যাব-১২, সিসিপি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী জানান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ওরফে বেপারী স্বপনের বাসায় তার ভগ্নিপতি মোঃ ফিরোজ খান দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে যৌনউত্তেজনক ওষুধ তৈরি ও বিক্রি করে আসছিলো। ওই বাসার দ্বিতীয় তলায় একটি টয়লেট ও একটি রুমে কারখানায় অবৈধভাবে ওষুধ তৈরি করতেন তিনি। টয়লেটে মিকচার মেশিন বসিয়ে বিভিন্ন প্রকার ট্যাবলেট, ক্যাপসুল তৈরি করা হতো।

উদ্ধারকৃত ওষুধের মধ্যে রয়েছে আমলকী প্লাস, লাল ক্যাপসুল, জিনসেং ক্যাপসুল, এন্টোস প্লাস, স্যালাইন, ইউনিক লাহাম ইত্যাদি। এসময় ছাই, টুথ পাউডার, ট্যালকম পাউডার, গ্লিসারিন, বিভিন্ন ধরণের বিষাক্ত ক্যামিকেল, পারফিউমসহ ওষুধ তৈরির বিভিন্ন কাঁচামাল উদ্ধার করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতেই ওষুধগুলো ধ্বংস করে ফেলা হয়।

গ্রেফতারকৃত মোঃ ফিরোজ খান বলেন, 'আমি বাংলাদেশ বোর্ড অব ইউনানী এন্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেমস অব মেডিসিন এর সনদপত্র নিয়েই ওষুধ তৈরি করছিলাম। তবে এটা অবৈধ। আমি আর কোন দিন এই কাজ করবো না।' এ কাজের সঙ্গে যুবদল নেতা বেপারী স্বপন জড়িত নয় বলে তিনি দাবি করেন।

কেএইচ