সচিবালয়ের ভিতরের স্টেনোগ্রাফারা পদবি পরিবর্তন করে পার্সানাল পদমর্যাদার ভোগের পর এখন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার পদমর্যাদাসহ সুযোগসুবিধা আদায়ের চেষ্টায় আছেন।
আর সচিবালয়ের বাইরে কর্মরত প্রায় আড়াই হাজার স্টেনোগ্রাফার আজও তৃতীয় শ্রেণীর গুন্ডি অতিক্রম করতে পারেনি।
জানা যায়, ১৯৯৫ সালে সচিবালয়ের ভিতরের স্টেনোগ্রাফারদের পদবি পরিবর্তন করে পার্সানাল অফিসার (পিও) করা হয়। ১৯৯৭ সালে ওই পিওদের দ্বিতীয় শ্রেণীর বেতন স্কেল দেয়া হয়। এর পর ১৯৯৯ সালের ১ জুন তাদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যায় গেজেটেড অফিসার হিসেবে উন্নীত করা হয়।
কিন্তু সচিবালয়ের বাইরে কর্মরত প্রায় আড়াই হাজার স্টেনোগ্রাফার আজও তৃতীয় শ্রেণীর গুন্ডি অতিক্রম করতে পারেনি। আর স্টোনোগ্রাফারা সরকারের কাছে আবেদন নিবেদন করে কোনো সুফল না পেয়ে ২০০৯ সালে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন।
২০১০ সালে ২৪ আগস্ট হাইকোর্ট আবেদনকারীদের পক্ষে রায় দেন। কিন্তু সরকার ওই রায় কার্যকর না করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করে(১৩১/২০১২) দায়ের করে বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে।
এদিকে আজ শনিবার বাংলাদেশ স্টেনোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএ) চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল ও মহসচিব মহম্মদ নজরুল ইসলাম এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, প্রায় আড়াই হাজার স্টেনোগ্রাফার প্রায় ২০ বছর যাবত এসুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
নেতৃদ্বয় বলেন, সচিবালয়ের ন্যায় দেশের বিভিন্ন সরকারী দফতরে কর্মরত স্টেনোগ্রাফারদের পদমর্যাদা পরিবর্তন করে পিও এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে উন্নীত করতে হবে। কারণ, হাইকোর্ট সরকারকে সচিবালয়ের ভেতরে কর্মরতদের সমপর্যায়ে বাইরে কর্মরতদের পদ মর্যাদা এবং সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
তারা আরো বলেন, সচিবালয়ের সাবেক স্টেনোগ্রাফার বর্তমানে পিও’দেরকে সরকার একচেটিয়ে সুযাগ সুবিধা ও পদমর্যাদা দিয়ে যাচ্ছে। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে এই সংগঠনের সদস্যরা ক্ষুব্ধ।
উচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে এই বৈষম্যের অবসান ঘটাতে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন সংগঠনের নেতারা।
একে/এসএইচ





