বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের পল্টন ও কদমতলী থানা পূর্বের উদ্যোগে চলমান শৈত্যপ্রবাহে অসহায় ও শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
আজ ২০ ডিসেম্বর রবিবার সকালে রাজধানীর কদমতলী এবং পল্টন এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে এই শীতবস্ত্র প্রদান করেন।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া
রাজধানীর কদমতলীতে শীতবস্ত্র বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও কদমতলী পূর্ব থানা আমীর মীর বাহার আমীরুল ইসলাম, কদমতলী পূর্ব থানা সেক্রেটারী আতিকুর রহমান চৌধুরী, থানা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মহব্বত আলী, মাওলানা আবদুল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে রাজধানীর পল্টন এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সেক্রেটারি শাহীন আহমদ খান, থানা কর্মপরিষদ সদস্য ওমর ফারুক, খলিলুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
শীতবস্ত্র বিতরণে মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, করোনা মহামারীর এই সময়ে দেশের জনগন একদিকে আর্থিক টানাপোড়ন ও অন্যদিকে শীতের প্রকোপে নিউমোনিয়া, স্বর্দি, ঠান্ডা সহ বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাবে অনিশ্চিত জীবন যাপন করছে। এসময় তাদের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে সরকারের দাঁড়ানো উচিৎ ছিলো কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এ ব্যাপারে সরকারের কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। এমতাবস্থায় আমরা জামায়াতের পক্ষ হতে এসব মানুষের দুর্দশা লাঘবে সীমিত সামর্থ নিয়ে এগিয়ে এসেছি। জামায়াতে ইসলামী এদেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যবধি দেশের প্রতিটি দূর্যোগ ও সংকটে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের মানবিক সহযোগিতা প্রদান করে যাচ্ছে। আগামী দিনেও আমাদের এই কল্যাণকামী কর্মসুচী অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া আরও বলেন, ক্ষমতাসীনদের অপরাজনীতি ও দুঃশাসনে সাধারণ মানুষের জীবন আজ অতিষ্ট। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে জনগণের জীবন যাপন দেখে মনে হয় আজ তারা পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ হয়ে এক বিরাট কারাগারে বন্দি। সরকারের সংশ্লিষ্টদের সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জাতিকে এ অবস্থা থেকে মুক্ত করতে এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে ইসলামের সুমহান আদর্শের আলোকে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন হবে ও মানবতার পাশে সকলে দাঁড়াবে। তিনি বিজয়ের এই মাসে মহান বিজয়কে অর্থবহ করতে বৈষম্য ও শোষন মুক্ত ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উদাত্ব আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এএস





