বন বিভাগের উদ্যোগে তেল অপসারণে ১০০ নৌকায় করে স্থানীয় ২০০ শ্রমিক কাজ করছেন।কিন্তু এখনো সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়া কালো ফার্নেস তেল অপসারণে কাজ করতে পারছে না কাণ্ডারি-১০। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পায়নি কান্ডারি-১০।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে তেল অপসারণে কাজ শুরু করা হয়।
মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হার্বার মাস্টার কে এম আকতারুজ্জামান জানান, ডুবে যাওয়া ট্যাংকারে ছিল প্রায় সাড়ে ৩ লাখ লিটার ফার্নেস অয়েল। কিন্তু কাণ্ডারিতে মাত্র ১০ হাজার লিটার তেলের তেজস্ক্রিয়তা কমানোর মতো রাসায়নিক রয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আমির হোসাইন চৌধুরী জানিয়েছেন, দ্রুত তেল অপসারণে ২০০ শ্রমিক কাজ করছে। আজ সারা দিন কাজ চলবে। পরিবেশ অধিদফতর থেকে কান্ডারিকে রাসয়নিক ছিটানোর অনুমতি না দিলে কালও তেল অপসারণে কাজ করানো হতে পারে।
এদিকে আজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে নৌপরিবহণমন্ত্রী শাহজাহান খানের যাওয়ার কথা রয়েছে।
গতকালই সনাতন পদ্ধতিতে সুন্দরবনে ছড়িয়ে পড়া ফার্নেস অয়েল অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। গ্রামবাসী এবং জেলেদের উদ্বুদ্ধ করে শ্যালা নদী থেকে তেল সরাতে কাজ করা হয়।। সীমিত পরিসরে গ্রামবাসী ও জেলেরা ফোম, চটের বস্তা ও কলাপাতা ব্যবহার করে তেল অপসারণ করে।
জোয়ারের সময় খালগুলোতে যেন ফার্নেস অয়েল যেতে না পারে সেজন্য বৃহস্পতিবার ১২টি খালের মুখে নেট দেওয়া হয়।
বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দোহা খন্দকার এর আগে জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তিন দিন গ্রামবাসীর সহায়তা নিয়েই তেল সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। পরে রাসায়নিক ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
ইআর





