যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কাদের মোল্লার কবরের নামফলকে ‘শহীদ’ লেখার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

দশম সংসদের সপ্তম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বৃহস্পতিবার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পীর প্রশ্নের উত্তরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সংসদকে এ তথ্য জানান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কাদের মোল্লার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর তার কবরে নামফলকে ‘শহীদ’ শব্দটি লেখা রয়েছে বিষয়টি মন্ত্রণালয় অবগত নয়।

এর পর তিনি প্রশ্নকারী সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ ব্যাপারে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বর্তমান সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ শুরু করেছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কুখ্যাত আসামি কাদের মোল্লাসহ ইতোমধ্যে কয়েকজন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। কয়েকজনের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজনের বিচারের রায় প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি অন্যদের বিচার কাজও এগিয়ে চলছে।

পাকিস্তানী হানাদার ও তাদের এ দেশীয় সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আল-সামস বাহিনী মানব ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা সংঘটিত করে বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছিল। বাঙালী জাতি পাকিস্তানী বাহিনীর এমন ঘৃণ্য বর্বরতাকে কখনও ভুলবে না’ যোগ করেন মন্ত্রী।

কেএইচ