প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি, আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি চাই। কারণ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আসবে, তার উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে আমাদের আজকের প্রজন্ম বা প্রজন্মের পর প্রজন্ম নিজেকে প্রস্তুত করবে।
আজ বুধবার (৩১ আগস্ট) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ছাত্রলীগ আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
এখন তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের যুগ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষায়-দীক্ষায় উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। সেভাবে নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে। কারণ দেশ চালাতে গেলে শিক্ষা, জ্ঞানের প্রয়োজন আছে এবং ইতিহাস জানার প্রয়োজন আছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের পর আমরা ক্ষমতায় এসেছি। বাংলাদেশের এত উন্নতি আমরা করতে পেরেছি, একটা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে উন্নীত করতে পেরেছি; যেটা জাতির পিতা স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে রেখে গিয়েছিলেন।
আমাদের অনেক দূর যেতে হবে বলে মন্তব্য করে সরকারপ্রধান বলেন, আমি পরিকল্পনা করে দিয়ে যাচ্ছি। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ যেমন হবে, ২১০০ সালের ডেল্টা প্ল্যান সেটাও প্রমাণ করে দিয়েছি। কাজেই আগামীতে সেটা অনুসরণ করলে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে পারবে।
ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ক্ষমতায় আছি বলে অনেকেই নিজেরা ঢুকে যায় এবং গোলমাল করে। বদনামটা ছাত্রলীগের ওপর পড়ে। ছাত্রলীগকে সংগঠন করার সময় গ্রুপ বাড়ানোর জন্য এ রকম আলতু-ফালতু লোক দলে ঢোকাবে না। তাতে নিজেদের বদনাম, দলের বদনাম, দেশের বদনাম।
বিশ্বে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ অবস্থা হবে বলে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের নিজেদের খাবার নিজেদেরই উৎপাদন করতে হবে। ছাত্রলীগ যেমন ধান কাটায় সাহায্য করেছে, দরকার হলে তা রোপণেও সাহায্য করবে।
এবিএস





