সুন্দরবনে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোববার দুপুরে ১১ বনদস্যু নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১৭টি বন্দুক ও ৫৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সকালে খুলনার পাইকগাছায় আটক হওয়ার পর দুপুরে সুন্দরবনে পুলিশের সঙ্গে এ কথিত বন্দুকযুদ্ধের খবর পাওয়া যায়।
এরআগে রোববার সকালেও ওই এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে' দু'জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছিলেন খুলনা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান। এ নিয়ে মোট ১৩ জনের মৃত্যু হলো।
জানা গেছে, আটক ১১ জনকে নিয়ে সুন্দরবনে অভিযান চালানো হয়। রোববার দুপুর দেড়টার দিকে কয়রা উপজেলার হড্ডা গ্রামের কাছে সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এই ১১ জন নিহত হন। তবে খুলনা পুলিশ জেলা পুলিশ হতাহতের সঠিক খবর নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
এর আগে ভোররাতে পাইকগাছা উপজেলার ঝিলবুনিয়া গ্রামের এক কলেজ শিক্ষককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সুন্দরবনের দিকে পালানোর সময় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দু'জন নিহত হন।
এ সময় ১৩ জনকে আটক করে পুলিশ। তারা ডাকাত দলের সদস্য বলে তখন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে এসপি (খুলনা হেড কোয়াটার) সোনালী সেন টাইমনিউজবিডি'কে বলেন, পুলিশ দুপুরে সুন্দরবনে অভিযানে যায়। কিন্তু আমাদের প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী এখনো অভিযান চলছে। তবে চেষ্টা করেও তাদের কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি। কারণ এলাকাটি মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে।
আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করে যাচ্ছি। সত্যিকার অর্থে কতজন হতাহত হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। জানামাত্র আমরা মিডিয়ার কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করবো।
তবে খুলনা পুলিশের অন্য একটি সূত্রের দাবি, “বেলা দেড়টার দিকে হড্ডা গ্রামের কাছে সুন্দরবনে কাশেম বাহিনীর প্রধান কাশেমকে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। সেখানে কাশেম বাহিনীর লোকজন গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে পালানোর সময় ১১ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।
এ ঘটনায় পাইকগাছা থানার ওসি শিকদার আক্কাস আলীসহ পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
তাদের ছররা গুলি লেগেছে জানিয়ে এসপি বলেন, আহত পুলিশ সদস্যদের পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১৭টি বন্দুক ও ৫৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জেইউ, জেএ





