কক্সবাজারের চকরিয়ায় পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতির গাড়ির ধাক্কা খেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী স্থানীয় ছাত্রলীগের এক নেতা নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরেক নেতা।

আজ (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ছগিরশাহ কাটা এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গাড়ির সামনের অংশ ও মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে গেছে।  

নিহত ছাত্রলীগ নেতার নাম পাবেল রহমান (১৬)। সে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১০ম শ্রেণির ছাত্র। আর আহত নেতার নাম নাবিউল আরাফাত (১৮)। তিনি একই ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পাবেল চকরিয়া পৌরসভার দিগরপান খালী এলাকার জানে আলমের ছেলে ও আহত নাবিউল একই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীও স্থানীয় ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরাজানান, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু নিজের গাড়ি নিয়ে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন। ওই সময়ে বিপরীত দিক থেকে মোটরসাইকেলে করে ওই দুই ছাত্রলীগ নেতা চকরিয়া যাচ্ছিল। হঠাৎ গাড়িটির সঙ্গে মোটরসাইকেলটি ধাক্কা খায়। গুরুতর আহত অবস্থায় মোটরসাইকেল দুই আরোহীকে মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রিষ্টান হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পাবেল মারা যায়। নাবিউলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা পারভেজ বলেন, গত ২৯ জুলাই চকরিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই কমিটিতে পাবেল সাধারণ সম্পাদক ও নাবিউলকে সহ-সভাপতি করা হয়। 

মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আলমগীর হোসেন বলেন, ঢাকা মেট্টো ঘ-০৫-০০৪৪ নম্বর গাড়ির মালিক চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটিই জব্দ করা হয়েছে।

আ.লীগের সভাপতি ও কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু মোবাইলে বলেন, “ছাত্রলীগের নেতারা খুব বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিল। একপর্যায়ে আমার গাড়িকে সরাসরি ধাক্কা দেয়।”এতে তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন।  

এমবি