রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক বলেছেন, সারাদেশে রেলওয়ের বন্ধ স্টেশনগুলো শিগগির চালু করা হবে। এজন্য রেলের পশ্চিম ও পূর্ব জোনে দু’টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় রেলের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা (কেলোকা) পরিদর্শনে এসে স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এসময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ সালাউদ্দিন, রেলের মহাপরিচালক (ডিজি) আমজাদ হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (আরএস) খলিলুর রহমান, পশ্চিম জোনের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) খায়রুল আলম, কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানার প্রধান নির্বাহী (সিইএক্স) মৃণাল কান্তি বণিক, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (পশ্চিম জোন) চিফ কমান্ডেন্ট শাহ আলমসহ রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী এসময় বলেন-সামনে রমজান মাস। রমজান শেষে পবিত্র ঈদুল ফিতরে ট্রেনে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় হয়ে থাকে। এ অবস্থায় যাত্রীদের শতভাগ সেবা দিতে অতিরিক্ত ট্রেন চলাচলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য অতিরিক্ত কোচ ও ইঞ্জিনের প্রয়োজন।
কোচ ও ইঞ্জিন মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসাহ দিতে তিনিসহ রেলের সব উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা পার্বতীপুরে রেলের ইঞ্জিন মেরামত কারখানা কেলোকা ও নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ে কোচ মেরামত কারখানা পরিদর্শনে এসেছেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পার্বতীপুর থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত ডুয়েল গেজ (ব্রড গেজ-মিটার গেজ) রেলপথ নিমার্ণ কাজ প্রায় শেষের পথে। কাজ শেষ হলেই ব্রড গেজ ট্রেন চলাচল শুরু করবে।
এর আগে রেলপথ মন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টার দিকে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানায় আসেন। এসময় তিনি মূল কারখানা ভবন ঘুরে ঘুরে দেখেন।
কেলোকার দক্ষ ২৫ জন কর্মচারীকে নগদ অর্থ দিয়ে পুরষ্কৃতও করেন তিনি।
এরপর মন্ত্রী কেলোকার কনফারেন্স রুমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। পরে দুপুর ১২টার দিকে তিনি পার্বতীপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন করে সৈয়দপুর কারখানায় যান।
এমকে





