রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি খন্দকার মাইনুল ইসলামের (৫৬) মৃত্যু দুর্বৃত্তদের গুলিতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. এনামুল হক।
বুধবার রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
ড. এনামুল হক বলেন, ‘মাইনুল ইসলামের বাম পাশের কানের নিচ দিয়ে গুলি প্রবেশ করে ডান পাশের কানের উপর দিয়ে বেরিয়ে গেছে। তার শরীরের কোথাও কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। এতে মনে করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা নয়।’
শিগগিরই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে বলেও জানান রামেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের এ শিক্ষক।
এদিকে, রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের ছেলে মিলন, শ্যালক সুজন ও এক কর্মচারীকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে। পরে এ নিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা- তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর পাঠানপাড়া এলাকার নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন মাইনুল ইসলাম। খবর পেয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নেন দমকল কর্মীরা। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় র্যাব, পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। ছুটে যান গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামতও নেয়া হয়।
এমই





