মহান মে দিবসের ছুটি বিশ্বের সকল দেশে ভোগ করলেও বাংলাদেশের হোটেল সেক্টরের শ্রমিকরা এই অধিকার থেকে বঞ্চিত। গভীর রাত পর্যন্ত পরিশ্রম করেও চাকরীর কোন নিচ্শয়তা নেই। ২০০৯ সালে নিম্নতম মজুরির গেজেট ঘোষণা করলেও তা বাস্তবায়নে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বর্তমান বাজার দরের সাথে সঙ্গতি রেখে মজুরি নির্ধারণ করতে হবে।

শুক্রবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হোটেল সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নমজুরিও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত সমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, ২০০৯ সালে মজুরি বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত মজুরি এখনও কার্যকর করেনি। ৫ বছর অন্তর মজুরি পুনঃনির্ধারণ নিয়ম থাকরেও এখন ৬বছর পার হলেও তা নির্ধারণ হয়নি। অথচ প্রতি বছর দফায় দফায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলেও শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি পায়নি।

এ সময় বক্তারা কিছু দাবি উত্থাপন করেন- শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী সকল আইন প্রত্যাহার করে গণতান্ত্রিক আইন প্রনয়ণসহ আইএলও কনভেনশন ৮৭-৯৮ অনুযায়ী অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার নিশ্চিত করা। হোটেল ব্যবসাকে শিল্প হিসেবে ঘোষণাসহ শ্রম আইন বাস্তবায়ণ করা।

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের সন্বয়ক রফিকুল ইসলাম, যুগ্ন-সমন্বয়ক আরোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি খলিলুর রহমান খান, শ্যামল চৌধুরি ভৌমিক, আব্দুল খালেক, আকতারুজ্জামান প্রমূখ।

এমএ, জেএ