গত ৯ অক্টোবর থেকে মিয়ানমারের আরকান রাজ্যের রাখাইন প্রদেশে মিয়ানমার সেনাবাহিনী, বিজিপি ও পুলিশের নির্যাতন, নিপীড়ন, অত্যাচার, জুলুম, গণধর্ষন, গ্রেপ্তার করার কারনে আরকান রাজ্যে মানবতা বিপন্ন হয়ে উঠেছে। নির্যাতিত রোহিঙ্গারা প্রান বাচানোর চেষ্টায় নাফ নদী ফাঁড়ি দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে চেষ্টা করছে। বিজিবি তাদের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করায় সাগর পাড়ে বসে কাদছে তারা।
গত মঙ্গলবার মংডু জেলার খিয়ারী পাড়া থেকে পালিয়ে এসে উখিয়ার কুতুপালং বস্তিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা যুবক আব্দুল আমিন (১২), মোঃ ইসলাম (৩০), মোঃ ইউনুছ (৩৫) কান্নজড়িত কন্ঠে বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী , পুলিশ, সীমান্ত রক্ষী বিজিপি সদস্যরা মুসলমান অধ্যুষিত এলাকা গুলোতে ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে এবং অসংখ্য মা বোনের ইজ্জত লুন্টন করেছে। গণ গ্রেপ্তার ও পুরুষদের উপর চরম নির্যাতন করছে।
এ ছাড়াও ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া কবির আহম্মদ (৩৫), ফজল করিম (৪২), শফিক আহম্মদ (২৮), আব্দুর রশিদ (৩২) ও ছেমন বাহার (২০), আনোয়ারা বেগম (১৮), গোলবাহার (৭৫) বলেন, মিয়ানমার সরকার যে ভাবে মুসলমানদের উপর অত্যাচার, জুলুম, বর্বরোচিত হত্যা কান্ডের মত ঘটনা ঘটাচ্ছে তাতে বুঝা যায় আরকান রাজ্যে তারা মুসলমান নিধন করবে।
তারা বলেন, যেমন তারা মেয়েদের ইজ্জত লুন্ঠন করছে তেমনি ভাবে রোহিঙ্গা মুসলমানদের সম্পদও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিচ্ছে।
তারা অশংকা করে বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে মিয়ানমার আরকান রাজ্যে মুসলিম শূণ্য হয়ে পড়বে। তাই তারা এই মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য মিয়ামারের উপর আর্ন্তজাতিক ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে বাংলাদেশসহ অন্তর্জাতিক বিশ্বের প্রতি অনুরোধ করেন।
মানিক/জারিফ





