সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের আবাসিক অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণে অভিযান শুরু হয়েছে।

বুধবার সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল ও কদমতলী এলাকার ৪২ টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ ও ৩শ৮০ ফুট অবৈধ পাইপ উদ্ধারের মাধ্য দিয়ে এ অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবারও এ অভিযান চলবে বলে তিতাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।  

জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে ২ সহস্রাধিক বাড়িতে অবেধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গ্রাহকরা বৈধভাবে তিতাসের সংযোগ নিতে চাইলেও স্থানীয় গ্যাসের ঠিকাদাররা তাদেরকে অবৈধভাবে তিতাসের সংযোগ দিয়েছে যা গ্রাহকরা জানত না। এলাকার গ্যাসের ঠিকাদার রনি, সুমন, আওলাদ, জজ মিয়া, আলমগীর ও আবুল হোসেন  এলাকায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়েছে। গ্রহকদের না জানিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবৈধ সংযোগ দিয়েছে এসব অসাধু ঠিকাদাররা।

এখন গ্রাহকদের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও অসাধু ঠিকাদারদের বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। অবৈধ ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগী গ্রাহকরা। এদিকে তিতাস কর্তৃপক্ষ বার বার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণের নোটিশ দেয়ার পর অবৈধ সংযোগ কেউ বিচ্ছিন্ন করেনি।

বুধবার তিতাস ডিস্ট্রিবিউশন এন্ড ট্রান্সমিশন, নারায়ণগঞ্জ এর ব্যবস্থাপক প্রকৗশলী সাইফুল ইসলাম চৌধুরীর উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কাজী ফয়সালের নেতৃত্বে একটি টিম গোদনাইল এলাকার মধুগর ও কদমতলী এলাকার নয়াপাড়া এলাকায় ৪২টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ ও ৩শ ৮০ ফুট পাইট উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তিতাসের আনোয়ার হোসেন ও রায়হানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা ও বিপুল পরিমান পুলিশ উপস্থিত ছিল। গ্যাস ব্যবহারকারীদের অভিযান পরিচালনাকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র টিমের কাছে প্রদর্শন করতে যারা ব্যর্থ হয়েছে টিম তাদের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে।

 তিতাস ডিস্ট্রিবিউশন এন্ড ট্রান্সমিশন, নারায়ণগঞ্জ এর ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী জানান, অভিযান বৃহস্পতিবারও চলবে। তিনি গ্যাস ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছেন। ব্যর্থতায় তাৎক্ষণিকভাবে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না বলেও জানান। 

জেআই