নবগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা নিহতের নাম মাসুম ফকির (৩৫)। তার বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের নাকসী গ্রামে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, নাকসী গ্রামের মৃত তোকাম ফকিরের ছেলে মাসুম ফকির গত মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) রাত থেকে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর মাসুমের মৃতদেহ গত মঙ্গলবার দুপুরে নলদী এলাকার নবগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় এবং এ সংক্রান্ত খবর বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে মাসুমের পরিবারের সদস্যরা নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে গিয়ে ওই মৃতদেহ মাসুমের বলে শনাক্ত করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নাকসী হাট থেকে বাজার করে তা বাড়িতে রেখে মাসুম বাইরে বেরিয়ে পড়ে। রাত ১০টার দিকে মাসুম তার স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইলফোনে কথা বলেন । এরপর থেকে তার মোবাইলফোন বন্ধ এবং মাসুমের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিহত মাসুমের কোনো শত্রু ছিল না বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে নড়াইলের পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন। নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, কী কারণে মাসুমকে হত্যা করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার লাশের ময়নাতদন্ত নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে জালালসী গ্রামে নবগঙ্গা নদীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ ভাসমান অবস্থায় এলাকাবাসী দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে দুপুরে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।
উজ্জল রায়/ এআই





