জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৯তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে দেশে ফেরার পধে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৭টায় জন এফ কেনেডি বিমানবন্দর থেকে ইউএস এয়ারের একটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি একে মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান।

দুই দিন লন্ডনে অবস্থানের পর বৃহস্পতিবার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। গত ২১ সেপ্টেম্বর এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন তিনি।

১০ দিনের এই সফরে ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতা দেন শেখ হাসিনা। সুষম উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে শান্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তা বজায় রাখতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ওই দিনই নিউ ইয়র্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার প্রথম বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির পাশাপাশি স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে জোর দেন শেখ হাসিনা।
এছাড়া বেলারুশের প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিয়াসনিকোভিচ,নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালার সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

২৭ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা নিউ ইয়র্ক সেন্ট্রাল পার্কে গ্লোবাল পোভার্টি প্রোজেক্ট আয়োজিত ‘বিশ্ব নাগরিক উৎসব’-এ বক্তৃতা করেন এবং একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। নয়জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা ছাড়াও ৭৫ জন ব্যবসায়ী এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। ‘বিশিষ্ট ব্যক্তি’, সাংবাদিক ও সরকারের কর্মকর্তাদের নিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা ছিল দেড় শতাধিক।

জেআই,