দামি এলিয়ন প্রাইভেট কার। সামনে স্টিকারে লেখা 'জাতীয় সংসদ সদস্য'। তারপরও পুলিশও কারটি থামার নির্দেশ দেন। কিন্তু পুলিশের দুটি ব্যারিকেড ভেঙে চলে যায় কারটি। এরপর তৃতীয় ব্যারিকেডে গিয়ে কারটি থামাতে বাধ্য হয় চালক।

সেই কারটিতে (ঢাকা মেট্রো-গ-২৯-৯০৫২) তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় সাড়ে ৭শ’ বোতল ফেনসিডিল।

রোববার বিকেলে যশোর-মাগুরা সড়কের খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা এই ফেনসিডিল উদ্ধার করে। কারের চালক ও মালিক ফিরোজ আলমকে আটক করা হয়েছে।

খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই মাসুদ জানান, বিকেলে তারা যশোর-মাগুরা সড়কের বাঘারপাড়া খাজুরা বাজার এলাকায় সড়কের টহল দিচ্ছিলেন।

এ সময় জাতীয় সংসদ সদস্য স্টিকার লেখা একটি প্রাইভেট কার যশোর থেকে মাগুরার দিকে যাচ্ছিল। কারটিকে থামার সংকেত দিলে তা দ্রুত মাগুরার দিকে চলে যায়।

ফাঁড়ির একটি টহল দল খাজুরা বাজারের পেট্রোল পাম্পের পাশে ব্যারিকেড দেয়। কিন্তু সেটা ভেঙে পালিয়ে যায় কারটি। পরে খাজুরা বাজার থেকে সাত কিলোমিটার দূরে আরেকটি ব্যারিকেড দিয়ে কারটি আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় ফেনসিডিল।

ফিরোজ আলম স্বীকার করেছে জাতীয় সংসদ সদস্য এবং পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সে বেনাপোল থেকে ঢাকায় ফেনসিডিল নিয়ে যায়। এবারই সে প্রথম ধরা পড়ল।

তার কার থেকে পুলিশ এবং ডিএমপি লেখা আরও দুটি স্টিকার উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে থানায়।

এমকে