পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘কোন ষড়যন্ত্রই আমাদের আটকাতে পারেনি। নিজস্ব অর্থায়নেই আমরা পদ্মা সেতু করছি। বিশ্বব্যাংক পরবর্তীতে এই প্রকল্পে আসতে চেয়েছিল আমরা তাদের অর্থায়ন নেইনি।  তিনি বলেন, আগামী ২০১৮ সালের মধ্যেই এই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হবে।’

আজ (শুক্রবার) পদ্মা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে মাওয়া প্রান্তে এক প্রেস ব্রিফিং- এ তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনা বিভাগের সচিব তারিক-উল-ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক ইঞ্চিনিয়ার শফিকুল ইসলাম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক পরবর্তীতে এই প্রকল্পে আসতে চেয়েছিল। আমরা তাদের অর্থায়ন নেইনি।

তাছাড়া বর্তমানে মোট উন্নয়ন বাজেটের মধ্যে বৈদেশিক সহায়তার ২৯ শতাংশ অর্থ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক আমাদের ভাল বন্ধু।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নিতে চাচ্ছি। গভীর সমুদ্র বন্দরসহ বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে।’

দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানায়, ২০১৪ সালে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বহুল আলোচিত পদ্মা বহুমূখী সেতুর কাজ শুরু হয়।

এটি নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮ হাজার ৭৮৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। পদ্মা নদীর মাওয়া পয়েন্টে দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ,শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং ফরিদপুর জেলার সঙ্গে উন্নয়নে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

এ সেতুটি দক্ষিণ অঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে ঢাকাসহ পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন করবে। তাছাড়া এটি এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে এবং দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করবে। পদ্মা সেতু সম্পন্ন হলে বাংরাদেশের জিডিপি ১দশমিক ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এসএম