গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের (এমপি) মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন তিন যুবক। আদালতের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া তিন যুবক হলেন গাইবান্ধা-১ আসনে সাবেক এমপি ও জাতীয় পার্টির (জাপা-এরশাদ) সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ডা. মো. আবদুল কাদের খানের ভাতিজা শাহীন মিয়া, গাড়িচালক আবদুল হান্নান ও ব্যক্তিগত সহকারী রাশেদুল ইসলাম মেহেদী।
মঙ্গলবার ভোর রাতে গাইবান্ধা শহরের ব্রিজ রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এর আগে আজ বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া শহরের রহমাননগর জিলাদারপাড়ার বাসা থেকে আবদুল কাদের খানকে গ্রেপ্তার করে গাইবান্ধার গোয়েন্দা পুলিশ। রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে কড়া পুলিশি পাহারার মধ্য দিয়ে তাঁকে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এমপি লিটন হত্যায় জড়িত সন্দেহে জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আবদুল কাদের খানের ভাতিজা শাহীন মিয়া, গাড়িচালক আবদুল হান্নান ও ব্যক্তিগত সহকারী রাশেদুল ইসলাম মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাঁরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হন। এরপর সন্ধ্যায় তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। রাত ৮টার দিকে গাইবান্ধার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মইনুল হাসান ইউসুফের কাছে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি শেষে আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
জেড





