খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আগামী মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ হবে। এ উপলক্ষে রোববার রাত ১২টা থেকে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসির যুগ্ম-সচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ আহাম্মদ খান সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা কার্যকরে চিঠি দিয়েছেন।
প্রচারণা ছাড়াও রাত ১২টার পর থেকে এই সিটিতে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে। আর ভোটের আগের দিন মধ্যরাত থেকে অটোরিকশা, ইজিবাইক, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পো চলাচল নিষিদ্ধ। এসব নির্দেশনার লঙ্ঘন হলে ৬ মাস থেকে ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
তবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে ইসি জানিয়েছে।
নির্বাচনে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
ভোটের আগে ও পরে মোট চার দিন প্রতিটি ওয়ার্ডে এক প্লাটুন র্যাব এবং দুই ওয়ার্ডে এক কোম্পানি বিজিবি সদস্য টহল ও রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
এ ছাড়া প্রার্থীদের আচরণবিধি তদারকিতে থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং গুরুতর অপরাধের শাস্তির জন্য সামারি ট্রায়াল করে বিচার করবেন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। ইতোমধ্যে আচরণবিধি মনিটরিংয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সিটি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত হিসেবে টহল শুরু করেছেন।
খুলনা সিটি করপোরেশনে পুলিশ-এপিবিএন-আনসার ব্যাটালিয়ন সদস্য নিয়ে গঠিত ১০টি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স, র্যাবের টিম থাকবে ৩১টি আর বিজিবি থাকবে ১৬ প্লাটুন। আর ৪৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন।
এদিকে, শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। রোববার সকাল থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক এবং বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন।
জেড





