কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের বৃহত্তম ঈদগাহের পাশে জঙ্গি হামলা হয়েছিল গত বছর।
বিষয়টি মাথায় রেখে এবার ঈদগাহ ও আশপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
গত বছরের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে শোলাকিয়া ঈদগাহের অদূরে আজিমুদ্দিন স্কুলের পাশে পুলিশ সদস্যদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় জঙ্গিরা।
এ হামলায় পুলিশের দুই সদস্য, এক জঙ্গি ও বাড়ির ভেতরে থাকা ঝর্ণা রানী ভৌমিক নামের এক গৃহবধূসহ চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় আট পুলিশসহ তিন পথচারী গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানিয়েছে, শোলাকিয়া মাঠে এবারের ঈদুল ফিতরের নামাজের প্রথম জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা ফরিদউদ্দীন মাসউদ। ১৮২৮ সালে শুরু হওয়া এই মাঠে এবার আয়োজন করা হয়েছে ১৯০তম ঈদের জামাত।
ওই হামলার ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামির মধ্যে শফীউল ইসলাম গত বছরের ৫ আগস্ট ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।
ওই মামলায় আসামি হিসেবে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার জঙ্গি জাহিদুল হক ওরফে তানিম ও জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা বাড়ির মালিক আনোয়ার হোসেন কিশোরগঞ্জ কারাগারে রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) আনোয়ার হোসেন খান বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আট প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ২০ প্লাটুন এপিবিএনসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র্যাব ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
তাদের সমন্বয়ে নিশ্ছিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করবেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।
এসপি বলেন, ঈদের মাঠে প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা ও আটটি ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে থাকবে।
নামাজ শুরুর আগে পুরো মাঠ তল্লাশি করা হবে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে। শোলাকিয়া মাঠ ও শহরের যত অলিগলি আছে, সবখানে বসানো হবে নিরাপত্তা চৌকি।
জেড





