ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে তিন মাসওে খুলেনি অপারেশন থিয়েটারের দরজা। সিলিং লাইট ফিউচ,নষ্ট এ্যানেসথেসিয়া মেশিন,এক্স-রে মেশিন উধাও। দেখামেলে না দুই চিকিৎসকের।

দীর্ঘ দিন ধরে সার্জিক্যাল,অর্থোপ্যাডিক ও সিজারিয়ান চিকিৎসা বন্ধ আছে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে। এতে ভোগান্তরি মাত্রা ছাড়িয়েছে ঠাকুরগাঁও এর সাধারণ মানুষের।

হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে জীবন বাঁচাতে ভুক্ত ভোগীরা প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বাধ্য হয়ে ভর্তি হচ্ছে ।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার স্কুলের হাট গ্রামের ফারুক হোসেন অভিযোগ করে বলেন,তার প্রসুতি স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু কোন চিকিৎসা না পেয়ে বাধ্য হয়ে ক্লিনিকে ভর্তি করেন। হরিপুরের গেদুরা গ্রামের মনিরুজ্জামান ও পলাশ বাড়ির ননী গোপালরে অভিযোগও একই ।

নতুন ভবন নির্মানের কাজ শুরু হওয়ায় এক্স-রে মেশিন ও আল্ট্রাসোনো গ্রাম মেশিন বাক্স বন্দী রাখা হয়েছে বলে জানায় হাসপাতাল সূত্র।

জানাযায়,১৯৮৭ সালে স্থাপিত হওয়া এ হাসপাতালে একের পর এক সমস্যা লেগেই থাকে। যন্ত্র পাতি বিনষ্ট ছাড়াও দীর্ঘ দিন ধরে ১৫ জন চিকিৎসকের পদ শুণ্য । ছুটি না নিয়ে ২জন ডাক্তার অনুপস্থিত রয়েছেন।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা.এহসানুল করিম হাসপাতালের অপারেশন বন্ধ থাকা প্রসংগে বলেন,সিলিং লাইট ফিউচ হওয়ায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে তা নিরসনের জন্য সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

সোহেল/নাজিব