কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা চরন্দ্বীপ এলাকায় ৯১ একর একটি চিংড়ি ঘের দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
এ ঘটনায় জাহেদুল আলম (২৮) নামের এক ডাকাত নিহত হয়েছে এবং এ ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
৮ জানুয়ারী ভোর রাত থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে।নিহত যুবক চিরিঙ্গা সওদাগরঘোনা বটতলী এলাকার নুর আহমদের পুত্র।
আটককৃতরা হলো, এই এলাকার আব্দুস সালাম মাঝির পুত্র আতাউল্লাহ (৩২), শাকের উল্লাহর পুত্র সিরাজুর রহমান (২৮), আবুল হোসেনের পুত্র ওসমান গণি (২৩), মোজহের আহমদের পুত্র আব্দুস সালাম (২৫) ও জাকের আহমদ মেম্বারের পুত্র কফিল উদ্দিন (৩৫)। এ সময় ২টি দেশীয় লম্বা বন্দুক, ১টি দেশীয় তৈরী রাইফেল, ৮টি কার্তুজের খোসা ও ৭টি কিরিচ উদ্ধার হয়েছে।
চিরিঙ্গা সওদাগরঘোনা এলাকার সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর ও একই ইউনিয়নের চরন্দ্বীপ ৯১একর এলাকার সন্ত্রাসী আতাউল্লাহর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের সুত্র ধরেই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীরা জানায়।
কক্সবাজারের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি-সার্কেল) মাসুদ আলম জানান, ওই এলাকার ৯১ একরের একটি চিংড়ি ঘের দখলকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এ সময় উভয়পক্ষ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে মোহাম্মদ জাহেদ (২৮) নামে এক ডাকাত নিহত হন। এ ছাড়া মোহাম্মদ আতাউর রহমান (৩৩) নামে অপর এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হন।
তিনি আরো বলেন, ওসমান গনি, আব্দুস সালাম ও আতাউল্লাহকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। নিহত জাহেদের লাশ উদ্ধার করে থানায় যাওয়ার পথে নিহতের আত্মীয় স্বজনেরা কফিল উদ্দিন নামের আরেক চিংড়ী ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
চকরিয়া থানার ওসি প্রভাস চন্দ্র ধর জানান, ওই এলাকার দুইটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিন বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের সুত্র সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইআর





