নারী জাগরণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজকর্মী অ্যারোমা দত্ত এবং শিক্ষিকা বেগম নূরজাহানকে এবার রোকেয়া পদক দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে 'বেগম রেকেয়া দিবস-২০১৬' এর পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অ্যারোমা দত্তকে পদক তুলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবছর বেগম রেকেয়া দিবসে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। ১৯৯৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৯ জন নারীকে এ পদক দেয়া হয়।
এ পুরস্কারের আওতায় দুই লাখ টাকা ও ১৮ ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম সোনার একটি করে ক্রেস্ট দেয়া হয়।
পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখন দু'জনকে এ স্বীকৃতি দেয়া হলেও আগামীতে পাঁচজনকে রোকেয়া পদক দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তৃণমূলে যারা সীমিত সুযোগ নিয়ে নারী জাগরণে, নারী শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে এ পুরস্কার দেয়া হবে।
অ্যারোমা দত্তের পরিচিতি
অ্যারোমা দত্ত মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, জন্ম ১৯৫০ সালের ২০ জুলাই কুমিল্লা জেলায়। বাবা ছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক সঞ্জীব দত্ত, যিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশ অবজারভারের দ্বিতীয় শীর্ষ পদে কাজ করেছেন। তার দাদা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদে প্রথম বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবি তুলে ধরেন। দাদা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এবং কাকা দিলীপ দত্তকে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
অ্যারোমা দত্ত ১৯৮০ সাল থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারী জাগরণ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য। বর্তমানে আছেন বেসরকারি সংস্থা প্রিপ ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক পদে।
বেগম নূরজাহানের পরিচিতি
বেগম নূরজাহান পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সন্তান। পেশা শিক্ষক। স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা সেলাই করেন। তিনি কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। দুই দফা জাতীয় মহিলা সংস্থার কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতৃত্ব দেন তিনি।
জারিফ





