দু’দিন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাঁকখালী নদীসহ কয়েকটি খালের পানি বেড়ে এবং বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে কক্সবাজার জেলার শতাধিক গ্রাম।
এছাড়াও কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক ও মেরিন ড্রাইভ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি কক্সবাজারে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি। এতে জেলার প্রায় ১০০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় কক্সবাজার সদরের ১০ গ্রাম, মহেশখালী উপজেলার ১৫ গ্রাম, কুতুবদিয়া উপজেলার ১৫ গ্রাম, চকরিয়ার ২০ গ্রাম, উখিয়ার উপজেলার ১০ গ্রাম, রামু উপজেলা ২০ গ্রাম ও টেকনাফের ১০ গ্রাম। এতে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়াও পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৫০টি চিংড়ি ঘেরের মাছ।
কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, জেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
এছাড়া কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোড থেকে রামু উপজেলার খুলিয়াপালং এলাকায় চার কিলোমিটার সড়কে অতিরিক্ত পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে ওই সড়কেও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিকাল পৌনে ৫টায় এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।
এছাড়াও মেরিন ড্রাইভ সড়কে একটি স্থানে ভাঙন ও কয়েকটি স্থানে পাহাড়ি মাটি এসে পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে কলাতলি মসজিদ এলাকার সড়কেও ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি হিমছড়ি থেকে রেজু ব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ি মাটি এসে সড়ক ভরাট হয়ে গেছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, প্রবল বর্ষণের কারণে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় ওই সড়কে আপাতত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়াবিদ মো. শহিদুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪৬৭ মিলিলিটার রেকর্ড করা হয়েছে।
কেএইচ





