সারা দেশে নির্বাচনী বাতাস বইলেও যশোর-১ (শার্শা) আসনে জমে ওঠেনি নির্বাচনী আমেজ। এই আসনে নির্বাচনী প্রচার চলছে কার্যত একদলীয় ভাবে।
বর্তমানশাসক দল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান এমপি শেখ আফিল উদ্দিন নৌকা প্রতীক নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাধাহীনভাবে প্রচার-প্রচারণা চালালেও বিএনপির ক্ষেত্রে এর বিপরীতমুখী অবস্থা বিরাজ করছে।
পুলিশের গ্রেফতার আতঙ্কে মাঠে নামতে পারছেন না বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে শার্শা উপজেলায় বিভিন্ন মামলায় এই পর্যন্ত ৩৪ নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করায় এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে।
অনেকেই বাড়ি ছাড়া রয়েছে দিনেরপর দিন। পুলিশ কর্তৃক সক্রিয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মামলায় আটক করা ছাড়াও নেতাকর্মীদের হুমকি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, নির্বাচনী হামলা ও নেতা কর্মীদের হুমকী ধামকী ও পুলিশ হয়রানীর প্রতিবাদে ২০ ডিসেম্বর বিএনপি প্রার্থী মফিকুল হাসান তৃপ্তি যশোর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় নেতাকর্মীদের পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী দ্বারা নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের বিষয়ে ও নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় অংশ নিতে বাধা প্রদান বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দায়ের করা হলেও অবস্থার কোনো উন্নয়ন হয়নি।
শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবুল হাছান জহির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ প্রতিদিনই কোনো না কোনো নেতা কর্মীদের বাড়িতে হানা দিচ্ছে। পুলিশি গ্রেফতারের ভয়ে অনেক নেতাকর্মী প্রচারে নামতে পারছেন না এবং বাড়িতে রাত যাপন করতে পারছেন না। থানা পুলিশের ভূমিকা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শার্শা থানা পুলিশ’র ওসি মশিউর রহমান জানান, কোনো ধরনের নির্বাচনী আটক হচ্ছে না, যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে তাদের আটক করা হচ্ছে।
নাছির/এমবি





